ঢাকা , বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর স্বীকৃতিসহ ৬ দফা দাবি চা শ্রমিকদের শায়েস্তাগঞ্জ ইসলামী একাডেমি এন্ড হাইস্কুলে দুই দিনব্যাপী শিক্ষা মেলা শুরু শায়েস্তাগঞ্জ শিক্ষা ও সমাজ কল্যাণ ট্রাস্টের উদ্যোগে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত ৯৫ জন শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা শায়েস্তাগঞ্জে সংঘাত নয়, শান্তি ও সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়ি শীর্ষক আন্তঃধর্মীয় সংলাপ অনুষ্ঠিত শায়েস্তাগঞ্জে পুকুর থেকে অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার হবিগঞ্জের কৃতিসন্তান জাবেদের সাফল্য অর্জন প্রকৌশলী ফখরুল আলমের ‘বিলেতের আলোকিতজন’ গ্রন্থের পাঠ আলোচনা অনুষ্ঠিত শায়েস্তাগঞ্জে পাবলিক লাইব্রেরি ৪২ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন ও গুণীজনকে সম্মাননা প্রদান শায়েস্তাগঞ্জে হত্যা মামলার প্রধান আসামী ফারুক চুনারুঘাট থেকে গ্রেফতার হবিগঞ্জ সদর পিএফজি আয়োজিত আন্তঃধর্মীয় সংলাপ অনুষ্ঠিত

ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর স্বীকৃতিসহ ৬ দফা দাবি চা শ্রমিকদের

  • ডেস্ক :
  • আপডেট সময় এক মিনিট আগে
  • ৬ বার পড়া হয়েছে

জামাল হোসেন লিটন, চুনারুঘাট :

ভাষা, সংস্কৃতি, ভূমি ও মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করাসহ ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সাংবিধানিক স্বীকৃতি ও নতুন গেজেট সংশোধনের দাবি জানিয়েছেন হবিগঞ্জের চা শ্রমিকরা। এ দাবিতে মাধবপুর উপজেলার পাঁচটি ও চুনারুঘাট উপজেলার ১৮টি চা বাগানে বসবাসরত চা শ্রমিকদের পক্ষ থেকে হবিগঞ্জ-৪ (মাধবপুর-চুনারুঘাট) আসনের সংসদ সদস্য সৈয়দ মো. ফয়সলের কাছে স্মারকলিপি দেওয়া হয়েছে।

বুধবার দুপুরে (১৬ সেপ্টেম্বর) মাধবপুরে সংসদ সদস্যের পরিদর্শন কার্যালয়ে তাঁর কাছে স্মারকলিপি হস্তান্তর করেন চা শ্রমিকদের প্রতিনিধিরা।

স্মারকলিপিতে বলা হয়, ব্রিটিশ শাসনামলে ভারতের বাংলা, বিহার, উড়িষ্যা, আসাম, ঝাড়খণ্ডসহ বিভিন্ন অঞ্চল থেকে নিজেদের ভিটেমাটি ছেড়ে এ অঞ্চলে চা শ্রমিক হিসেবে আসেন তারা। প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে চা উৎপাদনের সঙ্গে যুক্ত থেকে দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখলেও নিজেদের ভাষা, সংস্কৃতি ও জাতিসত্তার স্বতন্ত্র পরিচয় হারিয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় রয়েছেন তারা।

চা শ্রমিকরা তাদের ভাষা ও সংস্কৃতির স্বীকৃতি, ঐতিহ্য সংরক্ষণ, শিক্ষা, কর্মসংস্থান, স্বাস্থ্যসেবা ও ভূমির অধিকার নিশ্চিত করার দাবি জানান। একই সঙ্গে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী হিসেবে সাংবিধানিক স্বীকৃতি এবং সংশ্লিষ্ট গেজেট সংশোধনের দাবি তোলা হয়।

স্মারকলিপি গ্রহণ করে সংসদ সদস্য সৈয়দ মো. ফয়সল বলেন, চা শ্রমিকরা যেন নিজেদের কৃষ্টি, সংস্কৃতি, ইতিহাস ও ঐতিহ্য নিয়ে বাংলাদেশে সমান সুযোগে সুনাগরিক হিসেবে জীবনযাপন করতে পারেন, সে বিষয়ে তিনি জাতীয় সংসদে তাদের অধিকার নিয়ে বক্তব্য রেখেছেন।

তিনি বলেন, চা বাগানের শ্রমিকরা দেশের অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তাদের আর্থসামাজিক অবস্থার উন্নয়ন এবং মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া দরকার। চা শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়নে তিনি সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর স্বীকৃতিসহ ৬ দফা দাবি চা শ্রমিকদের

ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর স্বীকৃতিসহ ৬ দফা দাবি চা শ্রমিকদের

আপডেট সময় এক মিনিট আগে

জামাল হোসেন লিটন, চুনারুঘাট :

ভাষা, সংস্কৃতি, ভূমি ও মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করাসহ ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সাংবিধানিক স্বীকৃতি ও নতুন গেজেট সংশোধনের দাবি জানিয়েছেন হবিগঞ্জের চা শ্রমিকরা। এ দাবিতে মাধবপুর উপজেলার পাঁচটি ও চুনারুঘাট উপজেলার ১৮টি চা বাগানে বসবাসরত চা শ্রমিকদের পক্ষ থেকে হবিগঞ্জ-৪ (মাধবপুর-চুনারুঘাট) আসনের সংসদ সদস্য সৈয়দ মো. ফয়সলের কাছে স্মারকলিপি দেওয়া হয়েছে।

বুধবার দুপুরে (১৬ সেপ্টেম্বর) মাধবপুরে সংসদ সদস্যের পরিদর্শন কার্যালয়ে তাঁর কাছে স্মারকলিপি হস্তান্তর করেন চা শ্রমিকদের প্রতিনিধিরা।

স্মারকলিপিতে বলা হয়, ব্রিটিশ শাসনামলে ভারতের বাংলা, বিহার, উড়িষ্যা, আসাম, ঝাড়খণ্ডসহ বিভিন্ন অঞ্চল থেকে নিজেদের ভিটেমাটি ছেড়ে এ অঞ্চলে চা শ্রমিক হিসেবে আসেন তারা। প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে চা উৎপাদনের সঙ্গে যুক্ত থেকে দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখলেও নিজেদের ভাষা, সংস্কৃতি ও জাতিসত্তার স্বতন্ত্র পরিচয় হারিয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় রয়েছেন তারা।

চা শ্রমিকরা তাদের ভাষা ও সংস্কৃতির স্বীকৃতি, ঐতিহ্য সংরক্ষণ, শিক্ষা, কর্মসংস্থান, স্বাস্থ্যসেবা ও ভূমির অধিকার নিশ্চিত করার দাবি জানান। একই সঙ্গে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী হিসেবে সাংবিধানিক স্বীকৃতি এবং সংশ্লিষ্ট গেজেট সংশোধনের দাবি তোলা হয়।

স্মারকলিপি গ্রহণ করে সংসদ সদস্য সৈয়দ মো. ফয়সল বলেন, চা শ্রমিকরা যেন নিজেদের কৃষ্টি, সংস্কৃতি, ইতিহাস ও ঐতিহ্য নিয়ে বাংলাদেশে সমান সুযোগে সুনাগরিক হিসেবে জীবনযাপন করতে পারেন, সে বিষয়ে তিনি জাতীয় সংসদে তাদের অধিকার নিয়ে বক্তব্য রেখেছেন।

তিনি বলেন, চা বাগানের শ্রমিকরা দেশের অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তাদের আর্থসামাজিক অবস্থার উন্নয়ন এবং মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া দরকার। চা শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়নে তিনি সহযোগিতার আশ্বাস দেন।