ঢাকা , শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
হবিগঞ্জের কৃতিসন্তান জাবেদের সাফল্য অর্জন প্রকৌশলী ফখরুল আলমের ‘বিলেতের আলোকিতজন’ গ্রন্থের পাঠ আলোচনা অনুষ্ঠিত শায়েস্তাগঞ্জে পাবলিক লাইব্রেরি ৪২ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন ও গুণীজনকে সম্মাননা প্রদান শায়েস্তাগঞ্জে হত্যা মামলার প্রধান আসামী ফারুক চুনারুঘাট থেকে গ্রেফতার হবিগঞ্জ সদর পিএফজি আয়োজিত আন্তঃধর্মীয় সংলাপ অনুষ্ঠিত শায়েস্তাগঞ্জে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে ত্রিমুখী সংঘর্ষে নিহত ১ আহত ৩ দক্ষিণ কোরিয়ায় প্রবাসী বাংলাদেশিদের ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত মাধবপুরে মহাসড়কে ২৫০টি মেহগনি বল্লী ও ট্রাকসহ একজন আটক  ঈদ উপলক্ষে শায়েস্তাগঞ্জে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে থানা পুলিশের বিশেষ মহড়া মহাসড়কে নিরাপত্তা জোরদার লক্ষ্যে শায়েস্তাগঞ্জ হাইওয়ে থানা পরিদর্শনে অ্যাডিশনাল আইজি

হবিগঞ্জ সদর পিএফজি আয়োজিত আন্তঃধর্মীয় সংলাপ অনুষ্ঠিত

  • ডেস্ক :
  • আপডেট সময় ১১:০৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬
  • ১৭ বার পড়া হয়েছে

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি:

শান্তি, সম্প্রীতি ও সামাজিক সহাবস্থান জোরদারের লক্ষ্যে পিএফজি (পিস ফ্যাসিলিটেটর গ্রুপ) হবিগঞ্জ সদর কমিটির উদ্যোগে ২৫ জুন বৃহসপ্রতিবার সকাল ১১টায় হবিগঞ্জ সদর উপজেলা মিলনায়তনে এক আন্তঃধর্মীয় সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পিএফজির অ্যাম্বাসেডর মাহবুবুর রহমান আওয়াল এবং সঞ্চালনায় ছিলেন কো-অর্ডিনেটর মোহাম্মদ জালাল উদ্দিন রুমি। অনুষ্ঠানের শুরুতেই চার ধর্মের চারজন পবিত্র কোরআন,গীতা,ত্রিপিটক,বাইবেল পাঠ করেন। ঘোষণাপত্র পাঠ করেন মুফতি মাওঃ আলমগীর হোসেন সাইফী।
স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন পিএফজি সদস্য শাহ মশিউর রহমান কামাল এবং শুভেচ্ছা বক্তব্য রঞ্জন কুমার । অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পিএফজি সিলেট বিভাগের কো-অর্ডিনেটর আকলিমা চৌধুরী। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন পিএফজি সদস্য এম এ ওয়াহিদ, পাপ্পু সুত্রধর,প্রফুল্ল চন্দ্র বৈষ্ণবসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বলেন, ধর্মীয় সংঘাত নিরসন, শান্তি ও সম্প্রীতি রক্ষায় সকল ধর্মীয় নেতাকে নিজ নিজ এলাকায় ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। তিনি আরও বলেন, সমাজে বিভিন্ন ধরনের গুজব, বিভ্রান্তি ও অসহিষ্ণুতা প্রতিরোধে জনগণকে সচেতন করতে ধর্মীয় নেতারা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারেন।

সংলাপে মুসলিম, হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিষ্টান ধর্মীয় নেতাদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে প্রাণবন্ত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। বিশেষ করে মসজিদের ইমাম, মন্দিরের পুরোহিত, গির্জার যাজক এবং বৌদ্ধ ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য উপস্থাপন করেন।

আলোচনায় বক্তারা সহাবস্থান, সহমর্মিতা, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ এবং সকল ধর্মের ঐতিহ্য ও মূল্যবোধের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তাঁরা বাংলাদেশকে একটি উদার, সহনশীল ও শান্তিপূর্ণ বসবাসযোগ্য রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তুলতে সম্মিলিতভাবে কাজ করে যাওয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
অনুষ্ঠান শেষে অংশগ্রহণকারীরা ভবিষ্যতেও আন্তঃধর্মীয় সংলাপ ও সামাজিক সম্প্রীতি বৃদ্ধিমূলক কার্যক্রম ধারাবাহিকভাবে পরিচালনার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
এটি সংবাদপত্র, ফেসবুক পোস্ট বা স্মরণিকা—যেকোনো প্রকাশনার উপযোগী করে সাজানো হয়েছে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হবিগঞ্জের কৃতিসন্তান জাবেদের সাফল্য অর্জন

হবিগঞ্জ সদর পিএফজি আয়োজিত আন্তঃধর্মীয় সংলাপ অনুষ্ঠিত

আপডেট সময় ১১:০৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি:

শান্তি, সম্প্রীতি ও সামাজিক সহাবস্থান জোরদারের লক্ষ্যে পিএফজি (পিস ফ্যাসিলিটেটর গ্রুপ) হবিগঞ্জ সদর কমিটির উদ্যোগে ২৫ জুন বৃহসপ্রতিবার সকাল ১১টায় হবিগঞ্জ সদর উপজেলা মিলনায়তনে এক আন্তঃধর্মীয় সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পিএফজির অ্যাম্বাসেডর মাহবুবুর রহমান আওয়াল এবং সঞ্চালনায় ছিলেন কো-অর্ডিনেটর মোহাম্মদ জালাল উদ্দিন রুমি। অনুষ্ঠানের শুরুতেই চার ধর্মের চারজন পবিত্র কোরআন,গীতা,ত্রিপিটক,বাইবেল পাঠ করেন। ঘোষণাপত্র পাঠ করেন মুফতি মাওঃ আলমগীর হোসেন সাইফী।
স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন পিএফজি সদস্য শাহ মশিউর রহমান কামাল এবং শুভেচ্ছা বক্তব্য রঞ্জন কুমার । অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পিএফজি সিলেট বিভাগের কো-অর্ডিনেটর আকলিমা চৌধুরী। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন পিএফজি সদস্য এম এ ওয়াহিদ, পাপ্পু সুত্রধর,প্রফুল্ল চন্দ্র বৈষ্ণবসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বলেন, ধর্মীয় সংঘাত নিরসন, শান্তি ও সম্প্রীতি রক্ষায় সকল ধর্মীয় নেতাকে নিজ নিজ এলাকায় ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। তিনি আরও বলেন, সমাজে বিভিন্ন ধরনের গুজব, বিভ্রান্তি ও অসহিষ্ণুতা প্রতিরোধে জনগণকে সচেতন করতে ধর্মীয় নেতারা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারেন।

সংলাপে মুসলিম, হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিষ্টান ধর্মীয় নেতাদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে প্রাণবন্ত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। বিশেষ করে মসজিদের ইমাম, মন্দিরের পুরোহিত, গির্জার যাজক এবং বৌদ্ধ ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য উপস্থাপন করেন।

আলোচনায় বক্তারা সহাবস্থান, সহমর্মিতা, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ এবং সকল ধর্মের ঐতিহ্য ও মূল্যবোধের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তাঁরা বাংলাদেশকে একটি উদার, সহনশীল ও শান্তিপূর্ণ বসবাসযোগ্য রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তুলতে সম্মিলিতভাবে কাজ করে যাওয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
অনুষ্ঠান শেষে অংশগ্রহণকারীরা ভবিষ্যতেও আন্তঃধর্মীয় সংলাপ ও সামাজিক সম্প্রীতি বৃদ্ধিমূলক কার্যক্রম ধারাবাহিকভাবে পরিচালনার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
এটি সংবাদপত্র, ফেসবুক পোস্ট বা স্মরণিকা—যেকোনো প্রকাশনার উপযোগী করে সাজানো হয়েছে।