ঢাকা , মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
প্রকৌশলী ফখরুল আলমের ‘বিলেতের আলোকিতজন’ গ্রন্থের পাঠ আলোচনা অনুষ্ঠিত শায়েস্তাগঞ্জে পাবলিক লাইব্রেরি ৪২ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন ও গুণীজনকে সম্মাননা প্রদান শায়েস্তাগঞ্জে হত্যা মামলার প্রধান আসামী ফারুক চুনারুঘাট থেকে গ্রেফতার হবিগঞ্জ সদর পিএফজি আয়োজিত আন্তঃধর্মীয় সংলাপ অনুষ্ঠিত শায়েস্তাগঞ্জে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে ত্রিমুখী সংঘর্ষে নিহত ১ আহত ৩ দক্ষিণ কোরিয়ায় প্রবাসী বাংলাদেশিদের ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত মাধবপুরে মহাসড়কে ২৫০টি মেহগনি বল্লী ও ট্রাকসহ একজন আটক  ঈদ উপলক্ষে শায়েস্তাগঞ্জে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে থানা পুলিশের বিশেষ মহড়া মহাসড়কে নিরাপত্তা জোরদার লক্ষ্যে শায়েস্তাগঞ্জ হাইওয়ে থানা পরিদর্শনে অ্যাডিশনাল আইজি শায়েস্তাগঞ্জে নতুন ইউএনও ফজলে রাব্বানী চৌধুরী যোগদান

লাখাইয়ে হাম রোগের পাদুর্ভাব,হাসপাতালে বেড সংকট

  • ডেস্ক :
  • আপডেট সময় ০৯:৫৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ এপ্রিল ২০২৬
  • ৭৩ বার পড়া হয়েছে

লাখাই প্রতিনিধি :

সারাদেশের ন্যায় লাখাইয়ে দেখা দিয়েছে হাম রোগ। দিন দিন বাড়ছে হাম রোগীর সংখ্যা।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, এ পর্যন্ত ৬ জন হাম রোগী ভর্তি আছে। তন্মধ্যে ১ জন রোগী সুস্থ হয়ে বাড়ী ফিরেছে। বর্তমানে ৫ রোগী ভর্তি আছে।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সু্ত্রে জানা যায়, হাম রোগীদের নিয়মিত টীকা দান ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে ৯ মাস বয়সে ১ম ডোজ ও ১৫ মাস বয়সে ২য় ডোজ এর কার্যক্রম চালু আছে।
সোমবার সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে ৫০ শয্যা হাসপাতালে ৫৭ জন রোগী ভর্তি আছে। তন্মধ্যে মহিলা রোগী ২৫ জন, পুরুষ ১৩ জন, গর্ভবতী ২জন ও শিশু রোগী ১৭ জন।
এর মধ্যে ৫ জন হাম রোগী। সেবা নিতে আসা রোগীদের অভিভাবকদের সাথে আলাপ কালে তারা জানান, নিয়মিত চিকিৎসা সেবা পাচ্ছি কিন্তু বেড সংকট থাকায় হাসপাতালের ফ্লোরে থেকে চিকিৎসা সেবা নিতে হচ্ছে।
এ বিষয়ে আরএমও ডাক্তার আব্দুল্লাহ আল মোক্তাদির জানান, বর্তমানে হাম রোগীদের জন্য আলাদা আইসোলশন কর্ণার খোলা হয়েছে এবং হাম রোগীরা নিরাপদ অবস্থায় চিকিৎসা সেবা নিতে পারে সেই বিষয়ে বিশেষ নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।
এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা.কাজী শামসুল আরেফীন বলেন, আমরা নিয়মিত ভাবে টীকাদান ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে ৯ মাস থেকে ১৫ মাস বয়সের বাচ্চাদের টীকাদান কার্যক্রম চলমান রয়েছে। হাম রোগীদের জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণে ঔষধ আছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, গত শনিবার ৩৫০ টীকা পেয়েছি। অতিশীঘ্রই ক্যাম্পেইনের টীকা আমাদের কাছে এসে পৌছবে। তবে বর্তমানে ৬ মাস থেকে ৫ বছর বয়সের বাচ্চাদের টীকাদান কার্যক্রম চালু করার জন্য বর্তমান সরকার যাবতীয় প্রস্তুতি গ্রহন করেছেন।

গত শনিবার ৩৫০ পিস ভিটামিন ক্যাপসুল আমার কাছে এসে পৌছেছে। এ দিকে ৩ জন হাম রোগীর স্যাম্পল কালেকশন করে ঢাকা মহাখালী আইপিএইচ কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে। আগামী ৩ রা মে থেকে হবিগঞ্জ জেলার প্রত্যেক উপজেলায় ক্যাম্পেইনের যাবতীয় কার্যক্রম আনুষ্ঠানিক ভাবে চালু করা হবে। তিনি আরও বলেন সাধারণত যে সব বাচ্চাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম থাকে সে সব রোগীদের হাঁচি, কাশি মাধ্যমে হাম রোগ ছড়িয়ে পরে। এ সব ক্ষেত্রে বাচ্চাদের অভিভাবকরা বাচ্চাদের সুস্থ রাখতে  সচেতনতা অবলম্বন করা জরুরী।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

প্রকৌশলী ফখরুল আলমের ‘বিলেতের আলোকিতজন’ গ্রন্থের পাঠ আলোচনা অনুষ্ঠিত

লাখাইয়ে হাম রোগের পাদুর্ভাব,হাসপাতালে বেড সংকট

আপডেট সময় ০৯:৫৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ এপ্রিল ২০২৬

লাখাই প্রতিনিধি :

সারাদেশের ন্যায় লাখাইয়ে দেখা দিয়েছে হাম রোগ। দিন দিন বাড়ছে হাম রোগীর সংখ্যা।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, এ পর্যন্ত ৬ জন হাম রোগী ভর্তি আছে। তন্মধ্যে ১ জন রোগী সুস্থ হয়ে বাড়ী ফিরেছে। বর্তমানে ৫ রোগী ভর্তি আছে।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সু্ত্রে জানা যায়, হাম রোগীদের নিয়মিত টীকা দান ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে ৯ মাস বয়সে ১ম ডোজ ও ১৫ মাস বয়সে ২য় ডোজ এর কার্যক্রম চালু আছে।
সোমবার সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে ৫০ শয্যা হাসপাতালে ৫৭ জন রোগী ভর্তি আছে। তন্মধ্যে মহিলা রোগী ২৫ জন, পুরুষ ১৩ জন, গর্ভবতী ২জন ও শিশু রোগী ১৭ জন।
এর মধ্যে ৫ জন হাম রোগী। সেবা নিতে আসা রোগীদের অভিভাবকদের সাথে আলাপ কালে তারা জানান, নিয়মিত চিকিৎসা সেবা পাচ্ছি কিন্তু বেড সংকট থাকায় হাসপাতালের ফ্লোরে থেকে চিকিৎসা সেবা নিতে হচ্ছে।
এ বিষয়ে আরএমও ডাক্তার আব্দুল্লাহ আল মোক্তাদির জানান, বর্তমানে হাম রোগীদের জন্য আলাদা আইসোলশন কর্ণার খোলা হয়েছে এবং হাম রোগীরা নিরাপদ অবস্থায় চিকিৎসা সেবা নিতে পারে সেই বিষয়ে বিশেষ নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।
এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা.কাজী শামসুল আরেফীন বলেন, আমরা নিয়মিত ভাবে টীকাদান ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে ৯ মাস থেকে ১৫ মাস বয়সের বাচ্চাদের টীকাদান কার্যক্রম চলমান রয়েছে। হাম রোগীদের জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণে ঔষধ আছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, গত শনিবার ৩৫০ টীকা পেয়েছি। অতিশীঘ্রই ক্যাম্পেইনের টীকা আমাদের কাছে এসে পৌছবে। তবে বর্তমানে ৬ মাস থেকে ৫ বছর বয়সের বাচ্চাদের টীকাদান কার্যক্রম চালু করার জন্য বর্তমান সরকার যাবতীয় প্রস্তুতি গ্রহন করেছেন।

গত শনিবার ৩৫০ পিস ভিটামিন ক্যাপসুল আমার কাছে এসে পৌছেছে। এ দিকে ৩ জন হাম রোগীর স্যাম্পল কালেকশন করে ঢাকা মহাখালী আইপিএইচ কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে। আগামী ৩ রা মে থেকে হবিগঞ্জ জেলার প্রত্যেক উপজেলায় ক্যাম্পেইনের যাবতীয় কার্যক্রম আনুষ্ঠানিক ভাবে চালু করা হবে। তিনি আরও বলেন সাধারণত যে সব বাচ্চাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম থাকে সে সব রোগীদের হাঁচি, কাশি মাধ্যমে হাম রোগ ছড়িয়ে পরে। এ সব ক্ষেত্রে বাচ্চাদের অভিভাবকরা বাচ্চাদের সুস্থ রাখতে  সচেতনতা অবলম্বন করা জরুরী।