ঢাকা , রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ধর্ম মানুষের সাংবিধানিক অধিকার: এমপি ফয়সল দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় ড্রোন নজরদারি, মাঠে ৩৪ প্লাটুন বিজিবি চা বাগানে পূজার আনন্দ,শ্রমিকদের পাশে এমপি ফয়সল যুক্তরাষ্ট্রে ১১ দিনের ব্যবধানে দুই ভাইয়ের মৃ*ত্যু, চুনারুঘাটে শোকের মাতম  হবিগঞ্জে সীমান্তবর্তী পূজামণ্ডপের নিরাপত্তায় ১২ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন শায়েস্তাগঞ্জে পিএফজির সভা অনুষ্ঠিত চুনারুঘাটে এলপিজি ডিলারকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা চুনারুঘাট সাহিত্য-সংস্কৃতি পরিষদের ৩৭তম বর্ষ উদযাপন শায়েস্তাগঞ্জে বিনামূল্যে ছাগল- ভেড়া পিপিআর ও ক্ষুরা রোগের প্রতিষেধক টিকার কর্মসূচি উদ্বোধন  চুনারুঘাটে টমটম-মোটরসাইকেল সং*ঘর্ষে নি*হত ২

আজমিরীগঞ্জের জলসুখার জমিদার বাড়ি ও ঘেটু নাট মন্দির অযত্ন অবহেলায় বিলুপ্তির পথে

  • ডেস্ক :
  • আপডেট সময় ০২:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল ২০২৬
  • ১৫৪ বার পড়া হয়েছে

মোঃ আশিকুর রহমান, আজমিরীগঞ্জ প্রতিনিধি :-

হবিগঞ্জের আজমিরীগঞ্জের জলসুখা গ্রামে অবস্থিত আড়াইশ বছরের পুরনো ঐতিহাসিক জমিদার বাড়ি, বৈঠকখানা ও ঘেটু নাট মন্দির অযত্ন-অবহেলায় ভেঙে বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে,দেখার কেউ নেই। কুশিয়ারা নদীর তীরে অবস্থিত এই ১৪টি জমিদার বাড়ির (১৩ জন হিন্দু ও ১ জন মুসলিম) অধিকাংশ কাঠামোই এখন জরাজীর্ণ এবং । সংস্কারের অভাবে প্রায় ধ্বংসপ্রাপ্ত এই প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনগুলো পর্যটন আকর্ষণ হিসেবে গড়ে ওঠার সম্ভাবনা থাকলেও, স্থানীয়দের মতে, সরকারি সংরক্ষণের কোনো দৃশ্যমান উদ্যোগ না তাকায় জমিদার বাড়ির ঘরের ভিতরের পাটাতনের কাঠ ও বিভিন্ন আসবাবপত্র চুরি হচ্ছে এবং ঝড় তোপানে ঐতিহাসিক আটচালা নামে বৈঠকখানা ভেঙে পরে রয়েছে। তাহারা আরও বলেন ১৯৪৭ সালের দেশভাগের পর অধিকাংশ জমিদার ভারতে চলে যাওয়ায় এই বিশাল বাড়িগুলো পরিত্যক্ত হয়ে পড়ে। পরবর্তী সময়ে সঠিক রক্ষণাবেক্ষণের অভাব, স্থানীয় প্রভাবশালীদের দখল এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগে এগুলো ধ্বংসের মুখে পড়েছে।এখন কেবল ভাঙা ইমারত, শানবাঁধানো দিঘির ঘাট ও জরাজীর্ণ মন্দিরগুলো তাদের অতীতের সাক্ষ্য বহন করছে।

হাওরবেষ্টিত এই অঞ্চলের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের সাথে এই ঐতিহাসিক স্থাপনাগুলো পর্যটকদের জন্য আকর্ষণীয় হতে পারত, যদি এগুলো সংরক্ষণ করা যেত স্থানীয়রা অবিলম্বে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে এই ঐতিহাসিক স্থানটি সংরক্ষণের দাবি জানিয়েছেন। এই বিষয় নিয়ে জলসুখা ইউনিয়নের উপ-সহকারী ভুমি কর্মকর্তা (তহসিলদার) মো.রাসেল মিয়ার সঙ্গে আলোচনা করলে তিনি জানান আড়াইশ বছরের পুরনো ঐতিহাসিক জমিদার বাড়ি, বৈঠকখানা ও ঘেটু নাট মন্দির অযত্ন-অবহেলায় রয়েছে ঝড় তোপানে বৈঠকখানার চাল ভঙে পরে রয়েছে যদি ও এই জমিদার বাড়িটি তহসিল অফিসের তত্ত্বাবধানে রয়েছে সংস্কারের বিভিন্ন জায়গায় এই বিষয় তোলে ধরা হয়েছে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

ধর্ম মানুষের সাংবিধানিক অধিকার: এমপি ফয়সল

আজমিরীগঞ্জের জলসুখার জমিদার বাড়ি ও ঘেটু নাট মন্দির অযত্ন অবহেলায় বিলুপ্তির পথে

আপডেট সময় ০২:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল ২০২৬

মোঃ আশিকুর রহমান, আজমিরীগঞ্জ প্রতিনিধি :-

হবিগঞ্জের আজমিরীগঞ্জের জলসুখা গ্রামে অবস্থিত আড়াইশ বছরের পুরনো ঐতিহাসিক জমিদার বাড়ি, বৈঠকখানা ও ঘেটু নাট মন্দির অযত্ন-অবহেলায় ভেঙে বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে,দেখার কেউ নেই। কুশিয়ারা নদীর তীরে অবস্থিত এই ১৪টি জমিদার বাড়ির (১৩ জন হিন্দু ও ১ জন মুসলিম) অধিকাংশ কাঠামোই এখন জরাজীর্ণ এবং । সংস্কারের অভাবে প্রায় ধ্বংসপ্রাপ্ত এই প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনগুলো পর্যটন আকর্ষণ হিসেবে গড়ে ওঠার সম্ভাবনা থাকলেও, স্থানীয়দের মতে, সরকারি সংরক্ষণের কোনো দৃশ্যমান উদ্যোগ না তাকায় জমিদার বাড়ির ঘরের ভিতরের পাটাতনের কাঠ ও বিভিন্ন আসবাবপত্র চুরি হচ্ছে এবং ঝড় তোপানে ঐতিহাসিক আটচালা নামে বৈঠকখানা ভেঙে পরে রয়েছে। তাহারা আরও বলেন ১৯৪৭ সালের দেশভাগের পর অধিকাংশ জমিদার ভারতে চলে যাওয়ায় এই বিশাল বাড়িগুলো পরিত্যক্ত হয়ে পড়ে। পরবর্তী সময়ে সঠিক রক্ষণাবেক্ষণের অভাব, স্থানীয় প্রভাবশালীদের দখল এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগে এগুলো ধ্বংসের মুখে পড়েছে।এখন কেবল ভাঙা ইমারত, শানবাঁধানো দিঘির ঘাট ও জরাজীর্ণ মন্দিরগুলো তাদের অতীতের সাক্ষ্য বহন করছে।

হাওরবেষ্টিত এই অঞ্চলের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের সাথে এই ঐতিহাসিক স্থাপনাগুলো পর্যটকদের জন্য আকর্ষণীয় হতে পারত, যদি এগুলো সংরক্ষণ করা যেত স্থানীয়রা অবিলম্বে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে এই ঐতিহাসিক স্থানটি সংরক্ষণের দাবি জানিয়েছেন। এই বিষয় নিয়ে জলসুখা ইউনিয়নের উপ-সহকারী ভুমি কর্মকর্তা (তহসিলদার) মো.রাসেল মিয়ার সঙ্গে আলোচনা করলে তিনি জানান আড়াইশ বছরের পুরনো ঐতিহাসিক জমিদার বাড়ি, বৈঠকখানা ও ঘেটু নাট মন্দির অযত্ন-অবহেলায় রয়েছে ঝড় তোপানে বৈঠকখানার চাল ভঙে পরে রয়েছে যদি ও এই জমিদার বাড়িটি তহসিল অফিসের তত্ত্বাবধানে রয়েছে সংস্কারের বিভিন্ন জায়গায় এই বিষয় তোলে ধরা হয়েছে।