ঢাকা , মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
প্রকৌশলী ফখরুল আলমের ‘বিলেতের আলোকিতজন’ গ্রন্থের পাঠ আলোচনা অনুষ্ঠিত শায়েস্তাগঞ্জে পাবলিক লাইব্রেরি ৪২ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন ও গুণীজনকে সম্মাননা প্রদান শায়েস্তাগঞ্জে হত্যা মামলার প্রধান আসামী ফারুক চুনারুঘাট থেকে গ্রেফতার হবিগঞ্জ সদর পিএফজি আয়োজিত আন্তঃধর্মীয় সংলাপ অনুষ্ঠিত শায়েস্তাগঞ্জে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে ত্রিমুখী সংঘর্ষে নিহত ১ আহত ৩ দক্ষিণ কোরিয়ায় প্রবাসী বাংলাদেশিদের ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত মাধবপুরে মহাসড়কে ২৫০টি মেহগনি বল্লী ও ট্রাকসহ একজন আটক  ঈদ উপলক্ষে শায়েস্তাগঞ্জে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে থানা পুলিশের বিশেষ মহড়া মহাসড়কে নিরাপত্তা জোরদার লক্ষ্যে শায়েস্তাগঞ্জ হাইওয়ে থানা পরিদর্শনে অ্যাডিশনাল আইজি শায়েস্তাগঞ্জে নতুন ইউএনও ফজলে রাব্বানী চৌধুরী যোগদান

আজমিরীগঞ্জের জলসুখার জমিদার বাড়ি ও ঘেটু নাট মন্দির অযত্ন অবহেলায় বিলুপ্তির পথে

  • ডেস্ক :
  • আপডেট সময় ০২:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল ২০২৬
  • ১২৫ বার পড়া হয়েছে

মোঃ আশিকুর রহমান, আজমিরীগঞ্জ প্রতিনিধি :-

হবিগঞ্জের আজমিরীগঞ্জের জলসুখা গ্রামে অবস্থিত আড়াইশ বছরের পুরনো ঐতিহাসিক জমিদার বাড়ি, বৈঠকখানা ও ঘেটু নাট মন্দির অযত্ন-অবহেলায় ভেঙে বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে,দেখার কেউ নেই। কুশিয়ারা নদীর তীরে অবস্থিত এই ১৪টি জমিদার বাড়ির (১৩ জন হিন্দু ও ১ জন মুসলিম) অধিকাংশ কাঠামোই এখন জরাজীর্ণ এবং । সংস্কারের অভাবে প্রায় ধ্বংসপ্রাপ্ত এই প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনগুলো পর্যটন আকর্ষণ হিসেবে গড়ে ওঠার সম্ভাবনা থাকলেও, স্থানীয়দের মতে, সরকারি সংরক্ষণের কোনো দৃশ্যমান উদ্যোগ না তাকায় জমিদার বাড়ির ঘরের ভিতরের পাটাতনের কাঠ ও বিভিন্ন আসবাবপত্র চুরি হচ্ছে এবং ঝড় তোপানে ঐতিহাসিক আটচালা নামে বৈঠকখানা ভেঙে পরে রয়েছে। তাহারা আরও বলেন ১৯৪৭ সালের দেশভাগের পর অধিকাংশ জমিদার ভারতে চলে যাওয়ায় এই বিশাল বাড়িগুলো পরিত্যক্ত হয়ে পড়ে। পরবর্তী সময়ে সঠিক রক্ষণাবেক্ষণের অভাব, স্থানীয় প্রভাবশালীদের দখল এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগে এগুলো ধ্বংসের মুখে পড়েছে।এখন কেবল ভাঙা ইমারত, শানবাঁধানো দিঘির ঘাট ও জরাজীর্ণ মন্দিরগুলো তাদের অতীতের সাক্ষ্য বহন করছে।

হাওরবেষ্টিত এই অঞ্চলের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের সাথে এই ঐতিহাসিক স্থাপনাগুলো পর্যটকদের জন্য আকর্ষণীয় হতে পারত, যদি এগুলো সংরক্ষণ করা যেত স্থানীয়রা অবিলম্বে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে এই ঐতিহাসিক স্থানটি সংরক্ষণের দাবি জানিয়েছেন। এই বিষয় নিয়ে জলসুখা ইউনিয়নের উপ-সহকারী ভুমি কর্মকর্তা (তহসিলদার) মো.রাসেল মিয়ার সঙ্গে আলোচনা করলে তিনি জানান আড়াইশ বছরের পুরনো ঐতিহাসিক জমিদার বাড়ি, বৈঠকখানা ও ঘেটু নাট মন্দির অযত্ন-অবহেলায় রয়েছে ঝড় তোপানে বৈঠকখানার চাল ভঙে পরে রয়েছে যদি ও এই জমিদার বাড়িটি তহসিল অফিসের তত্ত্বাবধানে রয়েছে সংস্কারের বিভিন্ন জায়গায় এই বিষয় তোলে ধরা হয়েছে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

প্রকৌশলী ফখরুল আলমের ‘বিলেতের আলোকিতজন’ গ্রন্থের পাঠ আলোচনা অনুষ্ঠিত

আজমিরীগঞ্জের জলসুখার জমিদার বাড়ি ও ঘেটু নাট মন্দির অযত্ন অবহেলায় বিলুপ্তির পথে

আপডেট সময় ০২:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল ২০২৬

মোঃ আশিকুর রহমান, আজমিরীগঞ্জ প্রতিনিধি :-

হবিগঞ্জের আজমিরীগঞ্জের জলসুখা গ্রামে অবস্থিত আড়াইশ বছরের পুরনো ঐতিহাসিক জমিদার বাড়ি, বৈঠকখানা ও ঘেটু নাট মন্দির অযত্ন-অবহেলায় ভেঙে বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে,দেখার কেউ নেই। কুশিয়ারা নদীর তীরে অবস্থিত এই ১৪টি জমিদার বাড়ির (১৩ জন হিন্দু ও ১ জন মুসলিম) অধিকাংশ কাঠামোই এখন জরাজীর্ণ এবং । সংস্কারের অভাবে প্রায় ধ্বংসপ্রাপ্ত এই প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনগুলো পর্যটন আকর্ষণ হিসেবে গড়ে ওঠার সম্ভাবনা থাকলেও, স্থানীয়দের মতে, সরকারি সংরক্ষণের কোনো দৃশ্যমান উদ্যোগ না তাকায় জমিদার বাড়ির ঘরের ভিতরের পাটাতনের কাঠ ও বিভিন্ন আসবাবপত্র চুরি হচ্ছে এবং ঝড় তোপানে ঐতিহাসিক আটচালা নামে বৈঠকখানা ভেঙে পরে রয়েছে। তাহারা আরও বলেন ১৯৪৭ সালের দেশভাগের পর অধিকাংশ জমিদার ভারতে চলে যাওয়ায় এই বিশাল বাড়িগুলো পরিত্যক্ত হয়ে পড়ে। পরবর্তী সময়ে সঠিক রক্ষণাবেক্ষণের অভাব, স্থানীয় প্রভাবশালীদের দখল এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগে এগুলো ধ্বংসের মুখে পড়েছে।এখন কেবল ভাঙা ইমারত, শানবাঁধানো দিঘির ঘাট ও জরাজীর্ণ মন্দিরগুলো তাদের অতীতের সাক্ষ্য বহন করছে।

হাওরবেষ্টিত এই অঞ্চলের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের সাথে এই ঐতিহাসিক স্থাপনাগুলো পর্যটকদের জন্য আকর্ষণীয় হতে পারত, যদি এগুলো সংরক্ষণ করা যেত স্থানীয়রা অবিলম্বে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে এই ঐতিহাসিক স্থানটি সংরক্ষণের দাবি জানিয়েছেন। এই বিষয় নিয়ে জলসুখা ইউনিয়নের উপ-সহকারী ভুমি কর্মকর্তা (তহসিলদার) মো.রাসেল মিয়ার সঙ্গে আলোচনা করলে তিনি জানান আড়াইশ বছরের পুরনো ঐতিহাসিক জমিদার বাড়ি, বৈঠকখানা ও ঘেটু নাট মন্দির অযত্ন-অবহেলায় রয়েছে ঝড় তোপানে বৈঠকখানার চাল ভঙে পরে রয়েছে যদি ও এই জমিদার বাড়িটি তহসিল অফিসের তত্ত্বাবধানে রয়েছে সংস্কারের বিভিন্ন জায়গায় এই বিষয় তোলে ধরা হয়েছে।